নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আকাশে যাত্রীবাহী বিমান ও সামরিক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে, যার পরপরই দুটি যানই পটোম্যাক নদীতে পড়ে যায়।
যাত্রীবাহী বিমানে ৬০ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন, যা কানসাসের উইচিটো থেকে ওয়াশিংটনের রিগান জাতীয় বিমানবন্দরে যাচ্ছিল। বিমানটি পরিচালনা করছিল আমেরিকান এয়ারলাইনসের সহযোগী সংস্থা পিএসএ এয়ারলাইনস। অন্যদিকে, সামরিক হেলিকপ্টারে প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে থাকা তিনজন সেনা ছিলেন।
ওয়াশিংটনের দমকল প্রধান জন ডন্যালি জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে ৩০০ জন কর্মী অংশ নিয়েছেন এবং বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ২৭ জন বিমানযাত্রী। নিখোঁজদের মধ্যে আর কেউ জীবিত থাকার সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফিগার স্কেটিং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কয়েকজন সদস্যও ওই বিমানে ছিলেন। দুর্ঘটনার চার ঘণ্টা পর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সমালোচনা করে জানান, এই দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।
এফএএ (ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে কিছু জানায়নি, তবে তদন্ত চলছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত রিগান বিমানবন্দর বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৮২ সালেও একই বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর একটি বোয়িং ৭৩৭ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পটোম্যাক নদীতে পড়ে যায়, যেখানে ৭৮ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।