জাগ্রত পাহাড় ডেস্ক :
বর্তমান সময়েও কথিত জামায়াতপন্থিদের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে আমিরাবাদের রাজঘাটা এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে মৃত ড্রাইভার আব্দুল মালেকের পরিবার তাদের নির্যাতন ও হুমকির ভয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মৃত আব্দুল মালেকের পরিবারের দাবি, গেল ৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে পূর্ব শত্রুতার জেরে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল বারি মাস্টার গং, আব্দুল মোনাফ গং এবং কৃষি অফিসার এস. এম. জহির টিপু (মৃত ফরিদ মাস্টার গং) মিলে মালেকের ৪র্থ সন্তান জসীম উদ্দিনকে নিজেদের দখলকৃত জায়গায় ঘেরোয়া ঠিক করতে বাধা দেন। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে কথিত আমিরাবাদ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কাজি নুরুল আলম, ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি সাহাব উদ্দিন, উক্ত ওয়ার্ডের জামায়াত নেতা পান আরিফ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় ৫০ থেকে ৭০ জন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী এনে জসীম উদ্দিন ও তার ছেলেকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে এনে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে পরিবারটি মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
পরিবারের দাবি, ঘটনাটির পর থেকে তারা নানা ধরনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা তাদের উদ্দেশে বারবার ভয়ভীতি ছড়াচ্ছে। হুমকির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল—
“আর একটা কথা বল্লে ঠোঁট সেলাই করে দেব।”
“রাস্তায় দেখলে লোকাল চাঁদাবাজ গুন্ডা দিয়ে মারধর করব।”
“এই বিষয়ে কথা বল্লে জিহ্বা কেটে ফেলব।”
পরিবারটি মনে করেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে ছাত্ররা যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, সেই আন্দোলনের চেতনাকে আজ ক্ষুণ্ন করছে রাজনৈতিক প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী। তারা বলছেন, “ছাত্ররা রক্ত দিয়েছে দেশের মানুষকে শোষণ ও নির্যাতনের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য, অথচ আজ রাজনীতির নামে চলছে নির্মম শোষণ ও দমন।”
অভিযুক্তদের সাথে এবিষয়ে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হই। স্থানীয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় হতাশ পরিবারটি এখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তার প্রত্যাশা করছে।