২৬তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য

নিউজ ডেস্ক::

২৬তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দলের অসামান্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বুসান, দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দল মোট ১০টি পদক লাভ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দুটি স্বর্ণপদক, চারটি রৌপ্যপদক এবং চারটি ব্রোঞ্জপদক।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ অলিম্পিয়াডে ২৬টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে ১০ সদস্যের একটি দল এই আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নেয়।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের উদ্যোগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সপ্তম বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়। এ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের থেকে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচিত হয়। নির্বাচনের আগে দুই দিনের আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প এবং পরে দুই মাসব্যাপী ২১টি হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।

গত ১৭ থেকে ২০ জানুয়ারি বুসানের বেক্সকো কনভেনশন সেন্টারে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ দলের সাফল্য:
বাংলাদেশ দলের হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে:

  • ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি (জুনিয়র গ্রুপ): আরিয়েত্তি ইসলাম (আনাড়ি দল)
  • ক্রিয়েটিভ মুভি ক্যাটাগরি (সিনিয়র গ্রুপ): নামিয়া রওজাত নুবালা (সিরিয়াসলি ক্লুলেস দল)

রৌপ্যপদক অর্জন করেছে:

  • ফিজিক্যাল কম্পিউটিং (জুনিয়র গ্রুপ): আরিয়েত্তি ইসলাম (আনাড়ি দল)
  • ক্রিয়েটিভ মুভি ক্যাটাগরি (সিনিয়র গ্রুপ): নুসাইবা তাজরিন তানিশা (জিরোথ দল), প্রিয়ন্তী দাস (টিম শিফু দল)
  • ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি (সিনিয়র গ্রুপ): হাসিন ইশরাক চৌধুরী তাহা, এ জেড এম ইমতেনান কবির, আবরার আবির (স্যাফ.এআই দল)

ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেছে:

  • ফিজিক্যাল কম্পিউটিং (জুনিয়র গ্রুপ): নাফিয়া বাসার সুহানী (দ্য স্ক্রু লুজ দল)
  • ফিজিক্যাল কম্পিউটিং (সিনিয়র গ্রুপ): নুসাইবা তাজরিন তানিশা (জিরোথ দল), নামিয়া রওজাত নুবালা (সিরিয়াসলি ক্লুলেস দল)
  • ক্রিয়েটিভ মুভি (সিনিয়র গ্রুপ): হাসিন ইশরাক চৌধুরী তাহা, এ জেড এম ইমতেনান কবির, আবরার আবির (স্যাফ.এআই দল)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বাংলাদেশ দলের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা ভবিষ্যতে আরও প্রতিযোগী পাঠানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বাংলাদেশের এই সাফল্য দেশের রোবটিক্স ও প্রযুক্তি খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।