প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের টিফিনে মিলবে দুধ, কলা, ডিমসহ পুষ্টিকর খাবার

নিউজ ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে সরকার আবারও স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি) আওতায় ২০০১ সালে বিস্কুট বিতরণের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই প্রকল্প নতুন করে চালু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এটি বাস্তবায়ন শুরু হবে।

সরকার এ প্রকল্পের জন্য অন্তত সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা করছে, যার মেয়াদ হবে ৩ বছর। নতুন পরিকল্পনায় আগের খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করে বিভিন্ন ধরনের ফল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সপ্তাহের পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত খাবারের তালিকায় থাকবে— রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ১টি ডিম ও ১২০ গ্রাম ওজনের ১টি বান, সোমবার ২০০ মিলিলিটার ইউএইচটি দুধ ও ১২০ গ্রাম ওজনের ১টি বান, বুধবার ৭৫ গ্রাম বিস্কুট ও ১০০ গ্রাম ওজনের ১টি কলা বা অন্যান্য ফল। খাদ্যতালিকায় এনার্জি ২৫.৯%, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ৩২.২%, প্রোটিন ১৬.৪% ও ফ্যাট ২১.৭% রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মো. মিজানুল হক জানিয়েছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পূর্বের মিড ডে মিল প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে এখন স্কুল ফিডিং কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হচ্ছে। ২০২২ সালের দারিদ্র্য চিত্র অনুযায়ী ৬২ জেলার ১৫০টি উপজেলায় এটি বাস্তবায়িত হবে। একনেক অনুমোদন পেলে দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হবে।