বিশেষ প্রতিনিধি জাগ্রত পাহাড়;
প্রতিবছর ন্যায় এই বছরেও রুমা উপজেলা বঁড়শি পাড়ায় গ্রামীণ সড়ক হতে ১২ ফুট দুরত্বে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা, মো: আনিসুর রহমান ওরফে সুজনে অবৈধ ইটভাটা গড়ে উঠবে। এতে শ্বাসকষ্ট সহ নানান রোগে ভুগবে পার্শ্ববর্তী বঁড়শি পাড়া গ্রামবাসীসহ সরকারি বেসরকারি পাড়াকেন্দ্র ও স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।
আইন অনুযায়ী, কৃষিজমিতে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইনে বলা আছে, আবাসিক, সংরক্ষিত বা বাণিজ্যিক এলাকা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক কিলোমিটারের মধ্যে, বনাঞ্চলের দুই কিলোমিটার এবং ইউনিয়ন বা গ্রামীণ সড়কের অন্তত আধা কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। আইন অমান্য করলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড, ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু আইন অমান্য করেই রুমাতে প্রতি বছর ন্যায় এই বছরেও গড়ে উঠবে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মো: আনিসুর রহমান ওরফে সুজনে অবৈধ ইটভাটা।
এই বিষয়ে রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আদনান চৌধুরী মুঠোফোনে জানান, ইটভাটাটি যদি গ্রামের কিংবা স্কুলের পাশে হলে ইটভাটা করতে দেয়ার প্রশ্নই আসে না। এই ব্যাপারে রুমা উপজেলা প্রশাসন সজাগ থাকবে।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক গ্রামবাসীরা জানান, বছরের পর বছর এই অবৈধ ইটভাটা পরিচালিত হলেও বন্ধ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আনিসুর রহমান ওরফে সুজন অতীতে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে উল্টো পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনকে ঘুষ দিয়েই ইটভাটার মালিক এ ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন।
বান্দরবানে পরিবেশ অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক মো: রেজাউল করিম জানান, আমি বান্দরবানে নতুন দ্বায়িত্ব নিয়েছি, এই বছর বান্দরবানে কোনো অবৈধ ইটভাটা করতে দেয়া হবে না। এবছর বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কর্তৃক লামা, নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ ইটভাটায় গিয়ে পানি ছিটিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছি, এই অভিযান চলমান থাকবে।
এই ব্যাপারে আনিসুর রহমান ওরফে সুজনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
ধারাবাহিক প্রতিবেদন- ০১