অনলাইন ডেস্ক
ডাকসু নির্বাচনে সংবিধানবিরোধীভাবে “আদিবাসী” শব্দের ব্যবহারকে গভীর ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়েছেন রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক। এক বিবৃতিতে তিনি চক্রান্তকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে “আদিবাসী” শব্দটি অত্যন্ত বিতর্কিত। একটি মহল স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সংবিধানবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করছে। বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কোনো কোনো প্রার্থী অবাঙালি শিক্ষার্থীদের ভোট পেতে ইচ্ছাকৃতভাবে “আদিবাসী” তকমা ব্যবহার করছেন।
থোয়াই চিং মং শাক অভিযোগ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম কেবল সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রবিরোধী মহলের একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ। “আদিবাসী” স্বীকৃতির আড়ালে স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলার চেষ্টা হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, আদিবাসী চক্রান্তে কেবল অ-বাঙালিরাই নয়, বাঙালিদেরও একটি অংশ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। তাদের প্রচারণা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে চালানো হচ্ছে।”
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কীভাবে সংবিধানবিরোধী এ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন না করে নির্বিকার থাকতে পারে। একই সঙ্গে তিনি কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
থোয়াই চিং মং শাক বলেন, রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত ও বিভাজনের রাজনীতিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ অখণ্ড থাকবে।
