নিউজ ডেস্ক:
ভারত ও পাকিস্তানের ৯ বন্দীর মরদেহ ছয় মাস থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে বাংলাদেশের তিনটি হাসপাতালের হিমঘরে পড়ে আছে। বারবার অনুরোধ করেও দেশ দুটি তাদের নাগরিকদের মরদেহ গ্রহণ করছে না, বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। এতে মরদেহ সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকারের অর্থব্যয় বাড়ছে।
কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানান, “মরদেহগুলো হস্তান্তরের জন্য বারবার চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে মরদেহ গ্রহণ না করলে দাফন বা সৎকার করা হয়। তবে মানবিক কারণে এগুলো এখনো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।”
হিমঘরে মরদেহের অবস্থান
ঢাকা মেডিকেলে ছয়, খুলনায় এক এবং শরীয়তপুরে দুটি মরদেহ রয়েছে। আটজন ভারতীয় ও একজন পাকিস্তানি বন্দী বার্ধক্যসহ বিভিন্ন রোগে মারা গেছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের ১৮ জুন প্রথম পাকিস্তানি বন্দী মারা যান। এরপর থেকে ভারতের নাগরিকদের মধ্যে কয়েকজন ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মারা গেছেন।
এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যদি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো মরদেহ গ্রহণ না করে, তবে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম বা অন্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে দাফনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশ দুটি দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।