নিউজ ডেস্ক:
হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কার্যালয় থেকে সরাসরি এই সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি তদারকি করা হবে এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জবাবদিহি করতে হবে।
নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ধারাবাহিকতা গত দুই বছরের অস্থিরতা এবং তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক উত্থানের ফসল। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে নেপালি কংগ্রেস এবং সিপিএন-ইউএমএল এর মতো প্রথাগত দলগুলো জোট সরকার গঠন করলেও দুর্নীতির অভিযোগ এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে কাঠমান্ডুর মেয়র এবং স্বাধীন ধারার রাজনীতির আদর্শিক নেতা বালেন্দ্র শাহ তার দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা এবং ‘সুশাসনের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তোলেন, যা গত নির্বাচনের ফলাফলে প্রথাগত বড় দলগুলোকে হটিয়ে দিয়ে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের সূচনা করে।
ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৬-এর নির্বাচনে বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন জোট বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসে। রোববার (২৯ মার্চ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং ১৯৯১ সাল থেকে রাজনৈতিক নেতাদের সম্পদের তদন্ত করার মতো ১০০ দফার এক আমূল সংস্কার পরিকল্পনা উন্মোচন করেন। মূলত দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে আধুনিকায়ন করার সাহসী পদক্ষেপের মাধ্যমে নেপালের রাজনীতিতে কয়েক দশকের ‘পুরানো জমানা’র অবসান ঘটিয়ে এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
