নিউজ ডেস্ক।
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আস্তানায় র্যাব-১৫ এর অভিযানে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে চারটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে র্যাব সদস্যরা।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর একটি দল স্থানীয় সশস্ত্র ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। র্যাব সদস্যরাও পাল্টা জবাব দিলে একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে গহিন জঙ্গলের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে চারটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আবু নাঈম, শামসুল আলম ও শহিদুল্লাহ জানান, র্যাব সদস্যরা রহিম ডাকাতের বাড়ির দিকে অগ্রসর হলে মুখোশধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী ৪–৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তারা জানায়, সন্ত্রাসীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং তারা জঙ্গলের সরু পথ ধরে দ্রুত পালিয়ে যায়।
অভিযানের বিষয়ে স্থানীয়ভাবে ‘রহিম ডাকাত’ নামে পরিচিত আবদুর রহিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ঘনিষ্ঠ এক সূত্র দাবি করেছে, ঘটনাটি শাহীন বাহিনীর সহযোগীদের সাজানো নাটক। ওই সূত্র আরও জানায়, রহিম দুই সপ্তাহ ধরে এলাকায় নেই এবং সীমান্তে ব্যবসায় মন্দা পড়ায় তিনি অন্যত্র চলে গেছেন।
অন্যদিকে, শাহীন বাহিনীর এক সমর্থক দাবি করেছেন, শাহীন কোনোভাবেই ডাকাত নন; বরং তিনি একজন দানবীর ও গরিবের বন্ধু।
র্যাবের অভিযানের বিষয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহজাহান মুনির বলেন, “র্যাবের অভিযানের বিষয়ে আমরা অবগত আছি। তবে বিস্তারিত তথ্য র্যাব-১৫ এর অভিযানিক দলের কাছ থেকেই জানা যাবে।”
র্যাব-১৫ এর অধিনায়কের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া এলাকায় চোরাকারবারি ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দাপটে স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

