জাগ্রত পাহাড় ডেস্ক::
কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে পাসপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়ে ধরা পড়েন তারা। গ্রেপ্তার দুই তরুণী উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪-এর সি ব্লকের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন ১৬ বছর বয়সী কিশোরী এবং অপরজন ২২ বছর বয়সী মারজানা বিবি (প্রকাশ মরিয়াম বিবি), যিনি আয়ুব খানের মেয়ে।
তদন্তে জানা যায়, দালালচক্রের সহায়তায় তারা মায়ানমারের নাগরিক হয়েও বাংলাদেশি পরিচয়ে পাসপোর্টের আবেদন করেন। তাদের সঙ্গে থাকা কাগজপত্রের মধ্যে তিনটি জাতীয় পরিচয়পত্র, কক্সবাজার পৌরসভার জাতীয়তা সনদ, প্রত্যয়নপত্র, জমির খতিয়ানসহ নানা নথি এবং জাতিসংঘের স্মার্টকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস খান জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই তরুণী মধ্যপ্রাচ্যে পালানোর পরিকল্পনা করছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মায়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকার করেছেন। দালালদের মাধ্যমে তাদের পাসপোর্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দালালদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন জানান, দালালচক্রের কারণে পাসপোর্ট অফিস দালালমুক্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার সময় তারা রোহিঙ্গা নাগরিক বলে প্রমাণিত হওয়ার আগেই দালালদের সহায়তায় কাজ এগিয়ে নিতে চাইছিল।
পাসপোর্ট অফিসে দালালদের সক্রিয়তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সুত্র: কালের কন্ঠ
