১২ ই আগস্ট ২০২৬ ঢাকা
বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় অগ্রগতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো (জুলাই ২০২৬–জুন ২০৩১)’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসডিজি বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রোডম্যাপ তৈরির লক্ষ্যকে সামনে রেখে এ সেশনের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজিস, বাংলাদেশের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাঠামোগত সংস্কার এবং নীতি নির্ধারণে নাগরিক সমাজকে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভার প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন বলেন, “দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সমাজভিত্তিক বৈষম্য কমাতে পরবর্তী পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের মূলধারায় তাদের যুক্ত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের মাননীয় সংসদ সদস্য মিস মাধবী মার্মা। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের অনুন্নত জনগোষ্ঠীর সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনে বিশেষ আলোকপাত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) জনাব মাহদি আমিন বলেন, “মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং দক্ষ জনশক্তি বিনির্মাণই হলো আগামীর কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামোর মূল ভিত্তি। দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে যুগোপযোগী সংস্কার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
অন্যতম বিশেষ অতিথি বিএনপি সংসদ সদস্য ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মিস সেলিমা রহমান বলেন, “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর সংসদীয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং গণমুখী সংস্কার নীতি গ্রহণে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন।”
