নিউজ ডেস্ক:
দেশে প্রাথমিক স্তরে পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষার পুরোনো পদ্ধতিতে ফেরার চিন্তাভাবনা চলছে। আগে ক্লাসের বাছাই করা ও আগ্রহী শিক্ষার্থীরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করত এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পেত।
২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালুর পর পৃথকভাবে বৃত্তি পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এরপর পিইসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হত। তবে ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়নি এবং ২০২২ সাল থেকে পিইসি পরীক্ষা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়। নতুন শিক্ষাক্রমে এ পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সরকার পরিবর্তনের পর পুরোনো ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১’ বাতিল করে ২০১২ সালে প্রণীত সৃজনশীল পদ্ধতিকে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, চলতি বছরে নতুন বইয়ের পরিবর্তনের কারণে বৃত্তি পরীক্ষা সম্ভব নয়। তবে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। জুনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
অনেকেই আশঙ্কা করছেন, বৃত্তি পরীক্ষা চালু হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়তে পারে এবং কোচিং ও গাইড ব্যবসা আবারও সক্রিয় হতে পারে।