নিউজ ডেস্ক:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (২১ অক্টোবর) ভোর থেকেই দফায়-দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, মধ্যরাত থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেইটের সামনে থাকা একটি দোকানের দখল নিতে আসে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা। পরে, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোহড়াও দেয় তারা। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এরই জেরে দু’পক্ষের মধ্যে চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।
ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানান,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের মধ্যে কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। রেলওয়ের জায়গায় নির্মিত একটি দোকান দখলকে কেন্দ্র করে দোকান মালিক শাহীনের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘ+র্ষ হয়েছে। এসময় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।
তবে এই ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে হাম+লা বলে গুজব ছড়িয়েছে শিক্ষার্থীদের একটি পক্ষ। আবার এই ঘোষণা শুনে স্থানীয়দের একটি পক্ষ গুজব ছড়িয়েছে শিক্ষার্থীরা স্থানীয়দের ওপর হাম+লা করতে আসছে। এই গুজব শুনে স্থানীয়রা এক নম্বর সড়কে ব্যারিকেড দেয়।
[ মূলত এখানে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা হানিফের অনুসারীরা শিক্ষার্থীদের উপর হামলা, কক’টেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গু*লি করে তারাই আবার মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের উস্কে দিয়েছে৷]
এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়। প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা আলোচনার মাধ্যমে ব্যারিকেড তুলে নেয়।
- ব্রিফিংয়ে প্রক্টর।