জাগ্রত পাহাড় ডেস্ক :
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে ইউপিডিএফের বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের প্রস্তাব করাকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান।
রোববার বান্দরবানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি আসিফ ইকবাল বলেন, ইউপিডিএফ একটি সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। তাদের প্রতিনিধিরা, বিশেষ করে মাইকেল চাকমা, যিনি হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক অপরাধে জড়িত—তিনি এখন গণতন্ত্রের কথা বলছেন, যা আত্মঘাতী এবং বিভ্রান্তিকর। এই প্রস্তাব পূর্ব তিমুরের মতো বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টির চক্রান্তেরই অংশ, যা সংবিধান পরিপন্থী এবং রাষ্ট্রবিরোধী।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংগঠনগুলোর হামলায় এক হাজারের বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য শহীদ হয়েছেন এবং তিন পার্বত্য জেলায় ৩০ হাজারের বেশি বাঙালি-পাহাড়ি হতাহত হয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে সংগঠনটি সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে—সশস্ত্র সংগঠন নিষিদ্ধ, দেশদ্রোহীদের গ্রেপ্তার, সেনা ও পুলিশ ক্যাম্প বৃদ্ধি, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈষম্যমূলক ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল।
ছাত্র পরিষদ মনে করে, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়ন হলে তা শুধু রক্তপাত বাড়াবে না, দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতাও হুমকির মুখে পড়বে।
