নিউজ ডেস্ক :
দুর্নীতির অভিযোগে বিচার বিভাগের ১৫ জন সাবেক ও বর্তমান বিচারকের সম্পদ বিবরণী ও ব্যক্তিগত নথি চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২২ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই চিঠি সচিবের দফতরে পাঠানো হয়।
দুদকের পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, ঢাকার সাবেক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রেজাউল করিম চৌধুরী ও অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। এদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দুর্নীতিমূলক আচরণ এবং অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ মাল মামুন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধানের জন্য আরও ১৫ বিচারকের সর্বশেষ দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী, ব্যক্তিগত রেকর্ড এবং ডাটাশিটের সত্যায়িত ফটোকপি সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এসব তথ্য ২৯ এপ্রিলের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে যেসব বিচারকের তথ্য চাওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিকাশ কুমার সাহা, রেজাউল করিম চৌধুরী ও মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান ছাড়াও কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ গোলাম মাহবুব, কিশোরগঞ্জের একই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান সরকার, সিলেটের সাবেক জেলা জজ মনির কামাল, ঢাকা মহানগরের সাবেক অতিরিক্ত সিএমএম তোফাজ্জল হোসেন, মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত জেলা জজ মুশফিকুর ইসলাম, গাজীপুরের সাবেক সিএমএম কাইসারুল ইসলাম, নরসিংদীর সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোল্লা সাইফুল আলম, ময়মনসিংহের সাবেক বিশেষ জজ ফারহানা ফেরদৌস, শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক কামরুন নাহার রুমি, ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত জেলা জজ শওকত হোসেন, সিরাজগঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ এবং হবিগঞ্জের জেলা জজ সাইফুল আলম চৌধুরী।
