নিউজ ডেস্ক :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ অপহৃত শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেওয়ার আভাস মিলেছে সাত দিন পর। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি প্রশাসন, যৌথবাহিনী কিংবা পরিবারের কেউই।
সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিক্ষার্থীরা মুক্তি পেয়েছেন এবং তাদের মধ্যে দিব্যি চাকমাকে নিজ বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় এবং অপর চারজনকে বর্ডার এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। যদিও এখনও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। অপহৃত দিব্যি চাকমার মা ভারতী দেওয়ান এবং অলড্রিন ত্রিপুরার পরিবারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
অপহরণের সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা অটোরিকশা চালক নলেজ চাকমাকে অপহরণের দিন সন্ধ্যায় জিরোমাইল এলাকায় চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
শিক্ষার্থীদের মুক্তির বিষয়ে জেএসএস সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নিপন ত্রিপুরা জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন, তবে এখনও নিশ্চিত নন। নিশ্চিত হলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরও শিক্ষার্থীদের মুক্তির বিষয়ে অবগত থাকার কথা জানান। তবে তিনি বলেন, ঘটনাটি যাচাই করতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কারও সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এদিকে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল জানান, পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়, তবে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ১৬ এপ্রিল ভোরে খাগড়াছড়ি সদরের গিরিফুল এলাকা থেকে পাঁচ শিক্ষার্থী অপহরণের শিকার হন। এরপর ২১ এপ্রিল যৌথবাহিনীর অভিযানে খাগড়াছড়ির ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের পূর্ণচন্দ্র কার্বারী পাড়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ইউপিডিএফের ব্যবহৃত প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম ও বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়, যা পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
