নিউজ ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত “পারস্পারিক” শুল্ক নীতি ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হচ্ছে, যা ভারত, বাংলাদেশসহ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে বড় ধরনের চাপে ফেলতে পারে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করে, তার দেশও এবার সমান পাল্টা শুল্ক বসাবে।
নতুন নীতির ফলে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এসব দেশ নিজেদের শিল্প সুরক্ষায় রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশি শুল্ক আরোপ করে থাকে।
ট্রাম্প ২ এপ্রিলকে “লিবারেশন ডে” হিসেবে ঘোষণা করলেও তার পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনও অস্পষ্ট। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শুল্ক নীতি বাণিজ্য যুদ্ধ বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং মার্কিন বাজারেও পণ্যের দাম বাড়াতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বিশ্বে সর্বোচ্চ, যা ২০২৩ সালে ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (২৭১ বিলিয়ন ডলার), এরপর ভারত (২৪১ বিলিয়ন ডলার)। মার্কিন অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় বৈশ্বিক বাজারে ডলারের প্রভাব থাকলেও বাণিজ্য ঘাটতি দেশটির নীতিনির্ধারকদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতির তালিকায় চীন শীর্ষে রয়েছে (২৯৫ বিলিয়ন ডলার), এরপর মেক্সিকো (১৭২ বিলিয়ন ডলার) ও ভিয়েতনাম (১২৩ বিলিয়ন ডলার)। ২০১৮ সালে ট্রাম্প চীনের ওপর প্রথম শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা পরবর্তীতে জো বাইডেনও বহাল রাখেন। তবে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি এখনো কমেনি, বরং মার্কিন কোম্পানিগুলোর চীনের ওপর নির্ভরতা আরও দৃঢ় হয়েছে।
