Skip to content
www.JagrataPahar.com
Menu
  • জাতীয়
  • বান্দরবান
    • আলীকদম
    • লামা
    • থানচি
    • নাইক্ষ্যংছড়ি
    • বান্দরবান সদর
    • রুমা
    • রোয়াংছড়ি
  • রাঙ্গামাটি
    • কাউখালী
    • কাপ্তাই
    • জুরাছড়ি
    • নানিয়ারচর
    • বরকল
    • বাঘাইছড়ি
    • বিলাইছড়ি
    • রাঙ্গামাটি সদর
    • রাজস্থলী
    • লংগদু
  • নির্বাচন
  • সংস্কৃতি
  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা
  • বিশেষ
  • পর্যটন
  • রাজনীতি
  • শিক্ষা
  • বিনোদন
Menu

পাহাড়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা? বিলাইছড়ির গুজব ঘটনায় সেনাক্যাম্পকে জড়ানোর নেপথ্য কাহিনী।

Posted on March 19, 2026March 19, 2026 by editor

বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। আমরা গর্ব করে বলি, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।” এ দেশের মাটির প্রতিটি কণা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সাক্ষী। যদিও মুসলিমরা এ দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ, তবুও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বরাবরই সোচ্চার। রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক আচরণে এই সম্প্রীতির চিত্র প্রতীয়মান।

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর অবস্থানের দিকে তাকালে আমরা এক বৈচিত্র্যময় চিত্র খুঁজে পাই। ২০২২ সালের আদমশুমারি ও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.৬১ শতাংশ থেকে ০.৬৩ শতাংশ। যদিও এটি একটি ক্ষুদ্র অংশ, তবুও বৌদ্ধধর্ম বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায় হিসেবে সম্মানিত। এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রধানত চট্টগ্রাম বিভাগের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করেন। হিন্দুধর্ম এ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম, যার জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ (১৩.১ মিলিয়ন), যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫ শতাংশ। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা প্রায় ৪ থেকে ৮ লক্ষের মধ্যে।

বিশ্বের অনেক দেশে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠ গোষ্ঠী সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, দমন, ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ এবং এমনকি উচ্ছেদ অভিযানের মতো ঘটনা ঘটায়, বাংলাদেশের চিত্র সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী এবং রাষ্ট্রযন্ত্র সর্বদা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সজাগ। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রেক্ষাপটে এটি আরও স্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। রাষ্ট্র পাহাড়ের মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করে, তা অনেক সময় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সামগ্রিক ধর্মীয় বরাদ্দের চেয়েও বেশি। অনেকে মনে করেন এসব স্থাপনা হয়তো বিদেশিদের দানে নির্মিত, কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সরাসরি অর্থায়নে এখানে বিশাল ও রাজকীয় সব বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হয়েছে। চীন, জাপান, কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের মতো বৌদ্ধ প্রধান দেশগুলোতে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় স্থাপনা যতটা উন্নত ও চাকচিক্যময়, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আন্তরিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপনাগুলো তার চেয়েও অনেক বেশি উন্নত ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি করা হয়েছে।

ধর্মীয় স্বাধীনতার এই উজ্জ্বল চিত্রের আড়ালে পার্বত্যাঞ্চলের কিছু বাস্তব ঘটনা এবং বিশেষ কিছু মহলের উগ্রবাদী প্রবণতা আমাদের গভীরভাবে চিন্তিত করে। আমরা লক্ষ্য করি, পাহাড়ের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। রাষ্ট্রের উদার নীতি এবং অনেক ক্ষেত্রে পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী এবং উগ্র সশস্ত্র সংগঠন পাহাড়ের আবহমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একটি ক্ষুদ্র অংশ উগ্র মনোভাব পোষণ করে এবং তাদের মধ্যেই গড়ে উঠেছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। রাষ্ট্রের নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে এসব সশস্ত্র সংগঠন স্থানীয় মুসলিম বাঙালি জনগোষ্ঠী ও সেনাবাহিনীর ওপর সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে।

সম্প্রতি রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর আঘাত এবং ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করার মাধ্যমে সম্প্রীতি নষ্ট করার এক হীন প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ফারুয়া বাজার বৌদ্ধ বিহার, ফারুয়া শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহার ও একুজ্জ্যাছড়ি আর্য বৌদ্ধ বিহার নামে তিনটি বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থাপনার নিয়মিতভাবে মাইকিং করে ধর্মীয় দেশনা ও বিভিন্ন বিষয়ে সবসময় মাইক চালু রাখা হয়। বিহারের অতি নিকটে থাকা সেনা ক্যাম্প ও বসবাসরত মুসলিম বাসিন্দাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের সময় উচ্চ শব্দে দেশনা চলায় নামাজের একাগ্রতা বিঘ্নিত হয়।

এই বিষয়টি বিহারের কিছু সচেতন মানুষের নজরে আসার পর তাঁরা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের উদ্যোগ নেন। তাঁরা চেয়েছিলেন প্রতিবেশীদের অধিকার রক্ষা করতে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে তাঁরা স্বপ্রণোদিত হয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তংচঙ্গ্যার মাধ্যমে স্থানীয় সেনা ক্যাম্পে গিয়ে নামাজের সময়সূচির একটি নোট তৈরি করেন। নোটটি একটি প্যাডে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়:

  • ফজর: ৫:০০ থেকে ৫:১৫ মিনিট (মাত্র ১৫ মিনিট সময়)
  • যোহর: ১:০০ থেকে ১:৩০ মিনিট (মাত্র ৩০ মিনিট সময়)
  • আসর: ৪:১৫ থেকে ৪:৪৫ মিনিট (মাত্র ৩০ মিনিট সময়)
  • মাগরিব: ৫:৫৫ থেকে ৬:৩০ মিনিট (মাত্র ৩৫ মিনিট সময়)
  • এশা: ৭:১৫ থেকে ৮:৪৫ মিনিট পর্যন্ত (দেড় ঘণ্টা)

এই নোটে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের কোনো স্বাক্ষর- সিলমোহর বা নির্দেশনা লেখা নেই৷ এটি ফারুয়ার সংশ্লিষ্ট বৌদ্ধ বিহারের পক্ষে আসা চেয়ারম্যানের লেখা নামাজের সময়সূচি মাত্র। তাহলে সেখানে এই নোটের জন্য সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা এবং সেনাবাহিনীকে বৌদ্ধ ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা কতটুকু যৌক্তিক?

বর্তমানে জেএসএস এর নির্দেশে ফারুয়া বাজার বৌদ্ধ বিহার, ফারুয়া শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহার ও একুজ্জ্যাছড়ি আর্য বৌদ্ধ বিহার অপ্রয়োজনে সর্বদা মাইক বাজিয়ে মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিহার কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং একজন মুসলিম বাঙালি জানায়, পবিত্র রমজান মাসে দৈনিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই সামান্য কিছু সময় নামাজের চলাকালীন ফারুয়া আর্য্য বিহারের মাইক বন্ধ রেখে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করলে কারো কোনো ক্ষতি হবে না। রমজান শেষ হলে এশার নামাজের সময় আরও কমে ৪৫ মিনিটে চলে আসবে। এই উদ্যোগটি একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের চমৎকার উদাহরণ হতে পারত।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগকে বিকৃত করার জন্য উগ্র সশস্ত্র সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সাইবার গ্রুপ তৎপর হয়ে ওঠে।

সম্পাদকঃ সাহাব উদ্দিন

যোগাযোগ:
মাদ্রাসা শপিং কমপ্লেক্স, ৩য় তলা, বান্দরবান পৌরসভা, বান্দরবান।

অফিস: +880 1614400302

বিজ্ঞাপন: +880 1614400302

Categories

  • আওয়ামী লীগ (21)
  • আন্দোলন (11)
  • আমদানি (2)
  • আমিরাবাদ (1)
  • আলীকদম (18)
  • উপদেষ্টা (52)
  • কাউখালী (5)
  • কাপ্তাই (16)
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (5)
  • জাতীয় (2,046)
  • জাতীয় নাগরিক পার্টি (40)
  • জুরাছড়ি (1)
  • ঢাকা (21)
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (4)
  • থানচি (15)
  • দিবস (2)
  • দুর্ঘটনা (67)
  • দেশ-বিদেশ (17)
  • নাইক্ষ্যংছড়ি (26)
  • নানিয়ারচর (1)
  • নারায়ণগঞ্জ (2)
  • নির্বাচন (27)
  • পর্যটন (6)
  • পাকিস্তান (7)
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম (88)
  • প্রবাস (3)
  • প্রশাসন (29)
  • বন্যা (1)
  • বরকল (2)
  • বাঘাইছড়ি (5)
  • বাণিজ্য (7)
  • বান্দরবান (433)
  • বান্দরবান সদর (143)
  • বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন (7)
  • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (36)
  • বিএনপি (160)
  • বিদ্যুৎ ও জ্বালানি (5)
  • বিনোদন (4)
  • বিলাইছড়ি (5)
  • বিলাইছড়ি (2)
  • বিশেষ (9)
  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (15)
  • ব্যাংক-বীমা (1)
  • ভারত (43)
  • ভারত-বাংলাদেশ (32)
  • ভূমিকম্প (3)
  • যুদ্ধ (11)
  • রাঙ্গামাটি (95)
  • রাঙ্গামাটি সদর (9)
  • রাজনীতি (382)
  • রাজবাড়ী (1)
  • রাজস্থলী (4)
  • রুমা (29)
  • রোয়াংছড়ি (5)
  • লংগদু (6)
  • লামা (64)
  • লোহাগাড়া (4)
  • শিক্ষা (30)
  • শেয়ারবাজার (1)
  • সনাতনী (4)
  • সমাজ ও প্রশাসন (7)
  • সংস্কৃতি (2)
  • সারাদেশ (48)
  • সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক (1)
  • সেনাবাহিনী (25)
  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা (23)
সম্পাদক ও প্রকাশক: সাহাব উদ্দিন

ই-মেইল:news.jagratapahar@gmail.com

  • https://jagratapahar.com
©2026 www.JagrataPahar.com | Design: Newspaperly WordPress Theme