নিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় টানা সহিংস ঘটনায় ইউপিডিএফ ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো সরাসরি জড়িত বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, ২৩ সেপ্টেম্বর সিঙ্গিনালায় এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শয়ন শীলকে গ্রেপ্তার করলেও, ইউপিডিএফ উল্টো আন্দোলন ও অবরোধের ডাক দেয়। ২৬ সেপ্টেম্বর অবরোধ চলাকালে সেনাদের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপে তিন সেনা সদস্য আহত হন। ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে সেনারা পরিস্থিতি সামাল দেন।
২৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি পৌর এলাকায় ইউপিডিএফ কর্মীরা গুলি, ভাঙচুর ও অ্যাম্বুলেন্সে হামলার মতো নাশকতা চালায়। পরিস্থিতি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রূপ নিলে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। সারারাত সেনা, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে দাঙ্গা প্রতিহত করে।
২৮ সেপ্টেম্বর সকালে গুইমারার রামসু বাজারে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে অবরোধ করলে সেনাদের উপর দেশীয় অস্ত্র ও অটোমেটিক গুলি চালানো হয়। এতে তিন কর্মকর্তা সহ ১০ সেনা আহত হন। বিজিবির গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে বিকাল নাগাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, ইউপিডিএফ পরিকল্পিতভাবে নারী ও কিশোরদের উসকানি দিয়ে নাশকতায় যুক্ত করছে এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ছড়াচ্ছে। একইদিন বিজিবি বিপুল দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে।
বিবৃতিতে সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীকে সংযত আচরণের আহ্বান জানায় এবং অখণ্ডতা রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

